মোহাম্মদ আহসান হাবিব; স্টাফ রিপোর্টার ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৯:৫৮ পি.এম
দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ: হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের পদত্যাগ
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান পদত্যাগ করেছেন। বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও গুরুতর অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগের মুখে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট তার পদত্যাগপত্র প্রেরণ করেন।
দীর্ঘদিন ধরে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রমে অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের কিছু অভিযোগ নিয়ে আইনি মহলে কানাঘুষা চলছিল। বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগগুলো নিয়ে তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় তিনি পদত্যাগের পথ বেছে নেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন বা সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগগুলোর বিস্তারিত বিবরণ নিয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি প্রদান করা হয়নি।
উচ্চ আদালতের একজন আসীন বিচারপতির এভাবে আকস্মিক পদত্যাগের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণসহ সারা দেশের বিচারিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে আদালত পাড়ায় আইনজীবীদের মধ্যে এটিই ছিল প্রধান আলোচনার বিষয়। সাধারণ আইনজীবীরা বিষয়টিকে বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জায়গা থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সদস্য জানান, বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড কারো কাম্য নয়। যদি কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠে এবং তার প্রেক্ষিতে তিনি পদত্যাগ করেন, তবে তা বিচার বিভাগের শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবেই দেখা উচিত। তবে তারা এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপরও জোর দেন।
সংবিধান অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের কোনো বিচারপতি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয় কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পর তা কার্যকর হবে।
বিচারপতি রেজাউল হাসানের ঘনিষ্ঠ এবং তার অধীনে কাজ করা কর্মকর্তাদের মধ্যে এই ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বিষয়টিকে অনাকাঙ্ক্ষিত হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, বিচার বিভাগে শুদ্ধাচার নিশ্চিত করতে সাধারণ মানুষ ও বিচারপ্রার্থীরা এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
উচ্চ আদালতের ইতিহাসে কোনো বিচারপতির এভাবে অভিযোগের মুখে পদত্যাগের ঘটনা বিরল। এই ঘটনার পর বিচারিক প্রশাসনে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন বা সংস্কার আসে কি না, সেদিকেই এখন নজর সকলের।
দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ: হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের পদত্যাগ
বিএমপিতে সদ্য যোগদানকৃত কনস্টেবলদের ওরিয়েন্টেশন কোর্স_২০২৫ এর সমাপনী অনুষ্ঠিত!
এই সর্ব প্রথমবারের মতো নারী পুলিশ সুপার পেলেন বরিশালবাসী
ময়মনসিংহ রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
এসপি হান্নানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত
বরগুনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির নভেম্বর/২০২৫ মাসের সভা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অনুষ্ঠিত
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আওয়ামীলীগ নেতা গ্রেপ্তার
শেরপুরে বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
জামালপুরে সদ্য পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন পুলিশ সুপার
জামালপুরে গুরুত্বপূর্ণ তিন আইনের সর্বশেষ সংশোধনী বিষয়ে বিচার বিভাগের সেমিনার
"গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যগণের দায়িত্ব ও কর্তব্য" শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন
মাদারীপুর জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর মতবিনিময় সভা
বকশীগঞ্জে আইন - শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা
আদালতে হাজিরের পর ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে সাব-জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে
সেনাবাহিনীর হেফাজতে আছেন ১৫ জন কর্মকর্তা
মন্দিরে পাহারারত অবস্থায় ঘুমের কারনে গুলি চুরির অপরাধে ওসিসহ ৮ পুলিশ বরখাস্ত